Bike-News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Bike-News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২২

টুইন সিলিন্ডার ইঞ্জিনের বাইক আনলো ডুকাটি

by on এপ্রিল ২৭, ২০২২

 


১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইতালির এই জনপ্রিয় ও ব্যয়বহুল মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড ডুকাটি। পরে ২০১২ সালে ভক্সওয়াগেন গ্রুপের একটি অংশ হিসেবে যুক্ত হয়। বিশ্বব্যাপী এই দুর্ধর্ষ মোটরসাইকেলের ব্র্যান্ডটির জনপ্রিয়তা আমাদের দেশেও কম নয়। সারাবছর গ্রাহকদের জন্য একের পর এক নতুন বাইক নিয়ে আসছে সংস্থাটি।

 

প্রিমিয়াম টু-হুইলার প্রস্তুতকারী সংস্থাটি ২০২১ সালে ভারতের বাজারে একাধিক সেগমেন্টের বাইক লঞ্চ করেছে। এবার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বাইক লঞ্চ করতে চলছে তারা। অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য ভারতের বাজারে লঞ্চ হলো ডুকাটির দুর্ধর্ষ বাইক মাল্টিস্ট্রাডা ভি২।

নতুন মডেলটি আগের তুলনায় অধিক আরামদায়ক রাইডিংয়ের প্রতিশ্রুতিসহ এসেছে। এটি হ্যান্ডলিং করা আরও সহজ। আবার টুইন সিলিন্ডার ইঞ্জিনসহ হাজির হয়েছে অ্যাডভেঞ্চার বাইক মাল্টিস্ট্রাডা ভি২। ভারতের বাজারে দুটি ভ্যারিয়েন্টে হাজির হয়েছে বাইকটি। একটি ভি২, অন্যটি ভি২এস।

মাল্টিস্ট্রাডা ভি৪ এর মতো এতে অ্যালুমিনিয়াম ডিস্ক ব্রেক, মিরর ও অ্যালয় হুইল দেওয়া হয়েছে। এতে উপস্থিত এলইডি হেডলাইট, টেললাইট এবং টার্ন ইন্ডিকেটর। এস ভার্সনটিতে ফুল এলইডি হেডল্যাম্প, ডুকাটি কর্নারিং লাইট এবং ডুকাটি কুইক শিফ্ট আপ অ্যান্ড ডাউন রয়েছে। 

আগের মডেলটির তুলনায় ২০২২ ভার্সনটির সার্বিক ওজন ৫ কেজি কম বলে দাবি সংস্থার। ব্ল্যাক রিমের সঙ্গে একটি ক্লাসিক ডুকাটি রেড পেইন্ট থিমসহ এসেছে মোটরসাইকেলটি। আবার হায়ার-স্পেক ভি২এস মডেলে ডিজাইন এলিমেন্টের মধ্যে একটি নতুন স্ট্রীট গ্রে লিভারি সহ ব্ল্যাক ফ্রেম এবং জিটি রেড রিমের সঙ্গে বাজারে পা রেখেছে।

নতুন প্রযুক্তি বলতে এতে যুক্ত হয়েছে চারটি রাইডিং মোড – স্পোর্টস, ট্যুরিং, আরবান এবং এনডুরো। টপ-স্পেক মডেলে একটি হাই রেজোলিউশন ৫-ইঞ্চি কালার টিএফটি ডিসপ্লে আছে। উল্লেখযোগ্য ফিচারের তালিকায় আরও আছে ডিটিসি এবিএস, ভেহিকেল হোল্ড কন্ট্রোল, হাই ভিসিবিলিটি এলসিডি।

ডুকাটি মাল্টিস্ট্রাডা ভি২ একটি ৯৩৭ সিসি টেস্টাস্ট্রেট্টা ইঞ্জিনে দৌড়বে। যা থেকে ৯,০০০ আরপিএম গতিতে ১১৩ বিএইচপি শক্তি এবং ৬,৭৫০ আরপিএম গতিতে ৯৪ এনএম টর্ক আউটপুট পাওয়া যাবে। ভারতীয় বাজারে ডুকাটি মাল্টিস্ট্রাডা ভি২-এর দাম ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ও ডুকাটি মাল্টিস্ট্রাডা ভি২এস-এর মূল্য ১৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

 

 

মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল, ২০২২

বিনামূল্যে স্কুটার দিচ্ছে গুগল

by on এপ্রিল ১২, ২০২২

 


কর্মীদের অফিসে ফেরাতে বিনামূল্যে স্কুটার দিচ্ছে গুগল। সংস্থাটি বে এরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য স্থানে তার কর্মীদের এই বৈদ্যুতিক স্কুটার দেবে বলে জানা গেছে। এরিমধ্যে গুগল কর্মীদের ই-স্কুটার সরবরাহ করতে ইলেকট্রিক টু-হুইলার নির্মাতা উনাগির সাথে চুক্তিও করেছে।

ইউএস মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো কর্মী যদি মাসে অন্তত ৯ দিন জন্য অফিসে আসে, তবেই সে স্কুটার পাবে। টেক জায়ান্ট প্রতিটি ইউনিটের জন্য ৫০ মার্কিন ডলার রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রতিটি কর্মচারীর জন্য মাসিক ৪৪.১০ মার্কিন ডালার মাসিক ফি প্রদান করবে। তবে এই ইলেকট্রিক স্কুটারটি প্রচলিত ব্যাটারি চালিত টু-হুইলারের মতো নয়, উনাগি মডেল ওয়ান।

উনাগি মডেল ওয়ান দুটি বৈদ্যুতিক মোটর দ্বারা চালিত। এটি ১.৩ পিএইচ শক্তি উৎপন্ন করে এবং ৩২ এনএম টর্ক সরবরাহ করে। এটি ৩০ কেএমপিএইচ এর সর্বোচ্চ গতিতে চলতে পারে। এছাড়া এটিকে একবার চার্জে ২৫ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত চালানো যাবে। এই বৈদ্যুতিক স্কুটারগুলোর প্রবর্তন কর্মীদের দীর্ঘ কাজের সময়সূচীর পরে কাজে ফিরে আসার একটি অভিনব উপায় হতে পারে।

ডেভিড হাইম্যান, প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও, উনাগি, বলেছেন, ‘গুগল জানে কর্মীরা সত্যিই বাড়ি থেকে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেছে। তাই তাদের ফেরে আসার অভিজ্ঞতা আরও আনন্দময় করতে এই আয়োজন।

রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২

বাইকারদের দুর্ঘটনা রোধে আসছে সুজুকির নতুন প্রযুক্তি

by on এপ্রিল ০৩, ২০২২

 


সবকিছুকে ছাড়িয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। জীবন না থাকলে কোনো কিছুরই মূল্য নেই। সেই মূল্যবান জীবন অনেক সময় নাই হয়ে যায় বাইক দুর্ঘটনায়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জাপানি প্রতিষ্ঠান সুজুকি তাদের বাইকে নিয়ে আসতে যাচ্ছে নতুন প্রযুক্তি।

প্রযুক্তিটি হলো বিপদের বার্তা পাঠানোর একটি ডিভাইস। পথে দুর্ঘটনা ঘটলে চালকের পরিবারের কাছে বার্তা পাঠাবে ডিভাইসটি। সিস্টেমটির নাম এসওএস। সুজুকির এসওএস সিস্টেমের লক্ষ্য হল দুর্ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে আচ করে সেই অনুযায়ী বার্তা পাঠানো।

বাইকারের শরীরের সাথে সংযুক্ত সেন্সরের মাধ্যমে তার আঘাতের পরিমাণ সম্পর্কেও আন্দাজ করবে ডিভাইসটি। চালক দাঁড়িয়ে রয়েছেন নাকি মাটিতে শুয়ে রয়েছেন তার ওপর নির্ভর করবে সঙ্কেতের ধরন। মনে করা হচ্ছে, বাজারে আসতে যাওয়া সুজুকির স্পেশাল বাইক হায়াবুসায় এ ব্যবস্থা থাকতে পারে।

বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২

বাইক কিনতে ঠেলাগাড়িতে করে আনলেন আড়াই লাখ কয়েন

by on মার্চ ৩০, ২০২২

 


বাইক কিনবেন বলে তিন বছর ধরে কয়েন জমাচ্ছিলেন এক তরুণ। কয়েন জমতে জমতে হয়েছে আড়াই লাখ। এবার বাইক কেনার পালা। কয়েনগুলো কয়েকটি বস্তায় ভরে ঠেলাগাড়িতে চাপালেন। রওয়ানা দিলেন বাইকের শো-রুমের দিকে। শো-রুমের কর্মীরা বস্তায় ভরা এত কয়েন আগে কখনো দেখেননি। তাদের চোখ কপালে উঠল যেনো! অগুণিত কয়েন গুণে নিয়ে বাইক বুঝিয়ে দিতে হবে। এ যেনো মস্ত বড় এক হ্যাপা! অবাক লাগলেও ঘটনা সত্য।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুতে। সালেমের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম ভি বুপাঠি। ২৯ বছর বয়সি বুপাঠি পেশায় একজন কম্পিউটার অপারেটর। তার নিজস্ব একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে। ইউটিউব চ্যানেল থেকে তার যা আয় হয়েছিল, তা দিয়েই বাজাজ ডমিনার ৪০০ মডেলের বাইক কিনলেন তিনি।

এক রুপির এত কয়েন কোথায় পেলেন তিনি? উত্তরে বুপাঠি জানিয়েছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে তার টাকা খুচরা করে নিতেন তিনি। মন্দির, চায়ের দোকান, হোটেল- কোনও জায়গাই বাদ পড়েনি। শেষমেশ ২ লাখ ৬০ হাজার রুপি জমিয়ে বাইকের দোকানে হাজির হন সেই যুবক। তার সঙ্গে ছিলেন চার বন্ধু।

কিন্তু এত কয়েন গোনা কি সহজ কথা? সেই কথা ভেবেই দোকানের ম্যানেজার প্রথমে সাফ জানিয়ে দেন, এইভাবে বাইক কেনা যাবে না। কিন্তু বুপাঠির ইচ্ছার কথা ভেবে রাজি হন তিনি। শুরু হয় পাহাড়প্রমাণ কয়েন গোনার কাজ। দোকানের পাঁচ কর্মী এবং বুপাঠি ও তার বন্ধুরা সকলে মিলে কয়েন গুণতে শুরু করেন। রাত ৯ টায় শেষ হয় সেই কয়েন গোনা। ১০ ঘণ্টা পরে বুপাঠির হাতে আসে সেই বহু প্রতীক্ষিত বাইক।

নতুন বাইক পেয়ে উৎল্লাসিত তরুণ। তার ভাষ্য, ‘তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে ইচ্ছে ছিল এই বাইক কেনার। কিন্তু সেই সময়ে এত পয়সা ছিল না আমার কাছে। তাই এত দিন ধরে কয়েন জমিয়ে বাইক কিনেছি।”

বাইকের দোকানের ম্যানেজার জানিয়েছেন, ২ হাজার টাকার নোটে যদি ১ লক্ষ রুপি ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র রুপি গোনার জন্য আলাদা করে দিতে হয় ১৪০ টাকা। ২ লাখ ৬০ হাজার কয়েন দিলে ভাবুন ব্যাংক কী বলবে?

কিন্তু গন্ধমাদন পাহাড়সম এক রুপির কয়েন নিয়ে সেই দোকানে যুবকটি এলেও তাকে বিমুখ করেননি সংশ্লিষ্ট দোকানের ম্যানেজার। যুবকটির বাইকের প্রতি ভালোবাসাই মোহিত করেছিল সেই ম্যানেজারকে।

 

শনিবার, ২৬ মার্চ, ২০২২

৫-মিনিটে-ফুল-চার্জ-হবে-স্ক

by on মার্চ ২৬, ২০২২

 


ওলা স্কুটারের জগতে জনপ্রিয় এক নাম। সমানতালে ওলার বৈদ্যুতিক স্কুটারও নজর কেড়েছে গ্রাহকদের। এবার ইজরায়েলের ব্যাটারি টেকনোলজি সংস্থা স্টোরডট-এর সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের ঘোষণা করেছে ওলা ইলেকট্রিক।

এক্সট্রিম ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি বা এক্সএফসি প্রযুক্তির পথপ্রদর্শক হলো ইজরায়েলের এই সংস্থাটি। এই পার্টনারশিপের ফলেই স্টোরডটের এক্সএফসি ব্যাটারি প্রযুক্তির অ্যাকসেস পাবে ওলা ইলেকট্রিক। ফলে সংস্থার ইলেকট্রিক স্কুটার মাত্র পাঁচ মিনিটেই ০ থেকে ১০০ শতাংশ চার্জ হয়ে যাবে।

ওলা ইলেকট্রিক ভারতের বাজারের জন্য স্টোরডট-এর ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইলেকট্রিক স্কুটার বা বাইকের জন্য ব্যাটারি তৈরি করবে।

অ্যাডভান্সড সেল টেকনোলজি অর্থাৎ ব্যাটারি প্রযুক্তি ও নতুন এনার্জি সিস্টেমের উপরে ওলা ইলেকট্রিকের রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের অঙ্গ হলো স্টোরডট-এর সঙ্গে এই স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ। এই ইভি মেকার একটি গিগাফ্যাক্টরিও সেট আপ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। যেখানে ব্যাটারি সেল তৈরি করা হবে।

ওলা এস১ এবং ওলা এস১ প্রো এই দুই ইলেকট্রিক স্কুটারের বিপুল পরিমাণ ব্যাটারির চাহিদা পূরণ করতেই সেই কারখানার তৈরি হবে ব্যাটারি।

এক্সট্রিম ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির পথপ্রদর্শক স্টোরডট, যারা ৫ মিনিটেই ইলেকট্রিক ভেহিকলের ব্যাটারি সম্পূর্ণ ভাবে চার্জ আপ করতে পারে। দীর্ঘ দিন ধরেই তারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

ওলা ইলেকট্রিকের সিইও ভাবিশ আগরওয়াল বলছেন, ‘স্টোরডট-এর সঙ্গে আমাদের এই পার্টনারশিপ পুরো দেশের ইলেকট্রিক ভেহিকল সেগমেন্টের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ভাবিশ যোগ করলেন, ইলেকট্রিক ভেহিকলের ভবিষ্যত এ দেশে আরও উন্নত করা যেতে পারে। যখন ব্যাটারির ফাস্ট চার্জিংয়ে বন্দোবস্ত করা যাবে।’

 

বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০২২

ADVERTISEMENT মাত্র ১০ লাখেই ইলেকট্রিক গাড়ি!

by on মার্চ ২৩, ২০২২


 মাত্র ১০ লাখেই মিলবে ইলেকট্রিক কার। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি! তবে এই গাড়ি বাংলাদেশে পাওয়া যাবে না। এই গাড়ি কিনতে গেলে যেতে হবে প্রতিবেশি দেশ ভারতে। সেখানেই পাওয়া যাবে কম দামের ইলেকট্রিক গাড়ি। এই গাড়ি তৈরি করছে ভারতের শিল্প প্রতিষ্ঠান এমজি গ্রুপ।

নতুন বৈদ্যুতিক গাড়িটি হবে দুই দরজার। ভারতের বাজারে এই গাড়ি এলে এটি দেশের সবথেকে সস্তা বৈদ্যুতিক গাড়ি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

এই গাড়ি তৈরি করা হবে ‘এএআইসি-জিএম’ প্ল্যাটফর্মে। দুই আসনের গাড়ি হওয়া সত্ত্বেও গাড়িটিতে থাকছে বড় হুইলবেস রাখা হচ্ছে।

এই গাড়িতে ব্যবহার করা হবে একটি ২০০ কিলোওয়াট আওয়ারের ব্যাটারি প্যাক। এই ব্যাটারির রেঞ্জ ১৫০ কিলোমিটার। অর্থাৎ একবার চার্জে এই গাড়ি প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলবে। এই গাড়ি নিয়ে ইতিমধ্যেই বাজারে বেশ উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

এমজি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজীব চাবা বলেছেন, ভারতের বাজারে একটি ইলেকট্রিক গাড়ি আনছি আমরা। যেটি সারা বিশ্বের প্ল্যাটফর্মে তৈরি হবে। গাড়িটি ভারতের বিক্রি হবে ১০ লাখ রুপিতে।

 

মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২

২৫০ সিসির ট্যুরিং বাইক আনছে বাজাজ

by on মার্চ ২২, ২০২২

 


বাজাজের পালসার সিরিজে বেশ কয়েকটি মডেল আছে। বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় মডেল ১৫০। কিন্তু ভারতে জনপ্রিয় মডেল ডমিনার সিরিজ। এই সিরিজের আসছে ২৫০ সিসির নতুন বাইক। মডেল ডমিনার ২৫০। মডেলটি স্পোর্টস বাইকের তকমা পেয়েছে। কেননা, এর দুর্দান্ত গ্রাফিক্স এবং শক্তিশালী ইঞ্জিন একে অনন্যতা দিয়েছে।

শিগগিরই ভারতের বাজারে আসছে ডমিনার ২৫০ সিসির বাইক। এটি একটি ট্যুরিং বাইক। এর আগে আত্মপ্রকাশ করেছিল এনএস ২০০ এবং এনএস ১৬০। বাজাজের এই দুইটি মডেলই জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিল। এবার তারা আনছে ডমিনার ২৫০। ইতিমধ্যেই তার ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এসেছে। আর তা ঝড় তুলেছে বাইকপ্রেমীদের হৃদয়ে।

ইতিমধ্যেই ডিলারদের শোরুমে নতুন মডেলের বাইকটি পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। জানা গেছে, আগের সাদা এবং সিলভার ইউনিটগুলোর পরিবর্তে এই নতুন মডেল বাজারে আনতে চলেছে বাজাজ। তবে দাম একই থাকছে। বর্তমানে বাজাজ ডমিনার ২৫০ ভারতের দাম ১.৬৪ লাখ রুপি।

বাজারের ডমিনার ৪০০ এর ছোটভাই ডমিনার ২৫০। মজা করে এমনই বলেন বাইকপ্রেমীরা। তবে দুটিরই বডি ওয়ার্ক এবং স্টাইলিং একই রকমের। সঙ্গে ডমিনার ২৫০ এ রয়েছে ফুল এলইডি হেডল্যাম্প, ডিজিটাল কনসোল, ম্যাট ব্ল্যাক ফিনিশ অ্যালয় হুইল। সঙ্গে ১৩ লিটারের একটি ফুয়েল ট্যাঙ্কও দেওয়া হয়েছে। বাইকের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে এর ফুল এলইডি লাইটিং সিস্টেম এবং ফুয়েল ট্যাঙ্কে ডিসপ্লেসহ একটি ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার। মোটরসাইকেল ভ্রমণকে বন্ধুত্বপূর্ণ করতে, একটি আরামদায়ক রাইডিং স্ট্যান্স এবং সিটের নিচে ছোট স্ট্র্যাপ-টু-হুক ট্যুরিং লাগেজ যোগ করা হয়েছে।

এই মডেলকে একদম আধুনিক উন্নত ডিজাইনে ঢেলে সাজানো হয়েছে। নজর দেওয়া হয়েছে ডিটেলিংয়ে। রয়েছে নিখুঁত ফিনিশিং টাচ। আগের তুলনায় এই বাইক দেখতে আরও মডার্ন হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাইকের বাজারে দ্রুত এই বাইক জনপ্রিয়তা পাবে বলেও আশা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। নজরে পড়ার মতো যেসব ফিচার যুক্ত হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল কিছু ট্যুরিং ফ্রেন্ডলি অ্যাক্সেসরিজ।

লম্বা উইন্ডস্ক্রিন, মেটাল ব্রাশ প্লেট, স্মার্টফোন চার্জিং পোর্ট, রিয়ার লাগেজ ক্যারিয়ার, শক্ত ক্র্যাশ গার্ড, স্যাডেল স্টে (স্ট্যান্ডার্ড নয়), পিলিয়ন ব্যাকরেস্ট, এবং নেভিগেশন স্টে। যা চালক অনন্য অনুভূতি দেবে বলে দাবি কোম্পানির।

তবে এই ডুয়েল টোন এডিশনে কোনও যান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয়নি। এতে ২৪৮.৮ সিসি একক-সিলিন্ডার, ডিওএইচসি ইঞ্জিন লাগানো হয়েছে। এই ইঞ্জিনটি ৮,৫০০ আরপিএম-এ ২৬.৬ বিএইচপি এবং ৬,৫০০ আরপিএম-এ ২৩.৫ এনএম পিক টর্ক জেনারেট করে৷ কোম্পানির দাবি যে এই বাইকটি মাত্র ১০.৫ সেকেন্ডে ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টার গতি তুলতে পারে। প্রতি ঘণ্টায় বাইকটি দৌড়তে পারে ১৩২ কিমি গতিবেগে।

 

রবিবার, ২০ মার্চ, ২০২২

ভয়েস কমান্ডে চলবে ই-স্কুটার

by on মার্চ ২০, ২০২২


 ই-স্কুটাররে বাজারে টিভিএস জুপিটার স্কুটারটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। বর্তমানে টিভিএস জুপিটার ১১০সিসি ভারতের অন্যতম বেস্ট সেলিং স্কুটার। সেই জনপ্রিয়তার দিকে নজর রেখেই জুপিটারের একটি নতুন মডেল নিয়ে হাজির হয়েছে টিভিএস মোটরস, যার নাম টিভিএস জুপিটার জেডএক্স (TVS Jupiter ZX)। 

তবে বহুল-জনপ্রিয় অরিজিনাল জুপিটারকে সংস্থা একেবারেই ভুলে যায়নি। টিভিএস তাদের জুপিটার জেডএক্স ভ্যারিয়েন্ট সম্প্রতি ভারতের বাজারে স্মার্টজনেক্ট (SmartXonnect) ভার্সনে লঞ্চ করেছে। এর মূল হাইলাইটগুলোতে ভয়েস কমান্ড ফিচার ও স্মার্টফোন কানেক্টিভিটি থাকছে। অর্থাৎ ব্লুটুথের মাধ্যমে স্মার্টফোনের সঙ্গে স্কুটার কানেক্ট করা যাবে।

জুপিটারের অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে আলাদা করার জন্য নতুন টিভিএস জুপিটার জেডএক্স সিলভার ওক রঙের অভ্যন্তরীণ প্যানেল এবং ফ্রেশ ডিজাইনের ডুয়েল টোন সিট দেওয়া হয়েছে। পেছনের যাত্রী যাতে আরাম করে বসতে পারে, এজন্য একটি ব্যাকরেস্টও দেওয়া হয়েছে। যান্ত্রিক দিক থেকে অবশ্য এই স্কুটারে বিশেষ কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।

টিভিএস জুপিটার জেডএক্স ১১০ সিসি ইঞ্জিনে আগের মতোই দৌড়াবে। যা ৫.৮ কিলোওয়াট পাওয়ার ও ৮.৮ এনএম টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। ইঞ্জিনটি ইন্টেলিগো টেকনোলজি, আইটাচস্টার্ট ও একটি ইন্টিগ্রেটেড স্টার্টার জেনারেটর সিস্টেমের সঙ্গে এসেছে। 

স্কুটারটির অন্যান্য ফিচারগুলোর মধ্যে ২ লিটার গ্লভবক্স, মোবাইল চার্জার, এলইডি হেডল্যাম্প, ২১ লিটারের বুট স্টোরেজ ও ফ্রন্ট ডিস্ক ব্রেক উল্লেখযোগ্য।

নতুন টিভিএস জুপিটার জেডএক্সের দাম রাখা হয়েছে ভারতীয় বাজারে ৮০ হাজার ৭৯৩ টাকা (এক্স-শোরুম)৷ স্কুটারটি ম্যাট ব্ল্যাক ও কপার ব্রাউন রঙের মধ্যে বেছে নেওয়া যাবে।

 

 

বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২

সবচেয়ে শক্তিশালী বাইক আনছে কাওয়াসাকি

by on মার্চ ১৬, ২০২২

 


বাইকের জগতে বর্তমানে জনপ্রিয় নাম কাওয়াসাকি। জাপানি বাইক কোম্পানি হোন্ডা, সুজুকি ও ইয়ামাহার পরে কাওয়াসাকি এখন রয়েছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এর নতুন নতুন ফিচার বাইকপ্রেমীদের তৃষ্ণা মিটিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে কাওয়াসাকি মোটরসাইকেল স্পোর্টস বাইক সেগমেন্টেও এক অন্যতম নাম।

সম্প্রতি জাপানের এই জনপ্রিয় টু-হুইলার প্রস্তুতকারী সংস্থাটি Kawasaki ZX-25R এর 2022 ভার্সন লঞ্চ করেছে। প্রতি বছরই প্রতিষ্ঠানটি তাদের মোটরসাইকেলে নতুন নতুন আপডেট সরবরাহ করে। যার বেশিরভাগই নতুন কালার স্কিম রূপে আসে। সংস্থার কোয়ার্টার লিটার ফুল-ফেয়ার্ড স্পোর্টস মোটরসাইকেল ZX-25R এর ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হল না।

২০২২ কাওয়াসাকি জেডএক্স-২৫আর বাইকে পবিবর্তন বলতে একটাই। তা হলো নতুন টোয়াইলাইট ব্লু পেইন্ট স্কিম। যন্ত্রপাতি এবং পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে আপডেটেড বাইকটি সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত। এটি আগের মতোই ২৪৯ সিসির প্যারালাল ফোর সিলিন্ডার ইঞ্জিনে চলবে। যার ক্ষমতা ৪৫ পিএস।

মূলত এ কারণেই বর্তমানে কাওয়াসাকি জেডএক্স-২৫আর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ২৫০ সিসির মোটরসাইকেল। ট্র্যান্সমিশনের জন্য রয়েছে সিক্স-স্পিড গিয়ারবক্স। যাতে আবার অ্যাসিস্ট ও স্লিপার ক্ল্যাচ রয়েছে।

২০২২ কাওয়াসাকি নিনজা জেডএক্স-২৫আর এর ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে এলইডি টেললাইট এবং টেললাইট, কেটিআরসি (কাওয়াসাকি ট্র্যাকশন কন্ট্রোল সিস্টেম), টো ব্লিপার-সহ কেকিউএস (কাওয়াসাকি কুইকশিফ্টার), দু’টো পাওয়ার মোড (ফুল পাওয়ার এবং লো পাওয়ার), স্মার্টফোন চার্জিং পোর্ট, একটি সেমি ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার উল্লেখযোগ্য।

জাপানে বাইকটির দাম রাখা হয়েছে ৯ লাখ ৩৫হাজার জাপানি ইউয়ান। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৭ লাখ ৭ হাজার টাকার সমান। বাইকটি সে দেশে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কেনা যাবে। আপডেটেড বাইকটি করে ভারত এবং বিশ্ব বাজারে পাওয়া যাবে সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানায়নি সংস্থাটি।

 

মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২

বাইকের মতো দেখতে স্কুটার আনছে ইয়ামাহা

by on মার্চ ১৫, ২০২২

 


স্কুটারের জগতে ইয়ামাহা বেশ পোক্ত স্থান দখল করে আছে। বর্তমানে ইয়ামাহার আরোক্স ১৫৫ (Yamaha Aerox 155) বাজার কাঁপাচ্ছে। বাইকের আদলেই এই স্কুটারের লুক দিয়েছে সংস্থাটি। যেমন মাইলেজ, তেমন লুক। দেখে মনে হবে বাইক।

ইয়ামাহা এই স্কুটির ABS ও নন ABS- দুটি ভ্যারিয়েন্টে লঞ্চ করেছে।সামনে ও পিছনে ১৪ ইঞ্চির টায়ার রয়েছে এই স্কুটির। এটি ছাড়া ১৪ ইঞ্চির হুইল ভারতে আর কোনো স্কুটারে নেই। ম্যাক্সি স্কুটার বলে রোড গ্রিপ ভালো।

ইউএসবি চার্জি পোর্ট রয়েছে। এছাড়া ফোন রাখার জায়গাও রয়েছে স্কুটারে। ফোনের ব্যাটারি শেষ হলে আর চিন্তা করতে হবে না। স্কুটিতেই চার্জ দেওয়া যাবে।

এতে ইয়ামাহার ওয়াই কানেক্টের মতো সুবিধা রয়েছে। ফলে স্কুটারের সঙ্গে মোবাইল কানেক্ট করতে পারবেন। এছাড়া ডিসপ্লে টেকোমিটারের সঙ্গেও কানেক্ট করা যাবে।

স্কুটারটিতে থাকছে এলইডি ডিআরএলএস, এলইডি টেইল লাইট, এলসিডি ডিজিটাল মিটার। ইগ্নেশন সুইচের পাশে একটি মাল্টিফাংকশন সুইচও রাখা হয়েছে। সেই সুইচে ক্লিক করে ফুয়েল ট্যাঙ্ক, আন্ডার সিট স্টোরেজ খোলা যাবে সহজে।

স্কুটারটিতে ২৪.৫ লিটার আন্ডার সিট স্টোরেজ রয়েছে। একটি আস্ত হেলমেট ছাড়াও অনেক কিছু সেখানে রাখতে পারবেন। ফুয়েল ট্যাঙ্ক ৫.৫ লিটারের। ভারতীয় বাজারে স্কুটারটি পাওয়া যাবে মাত্র ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকায়।

 

এক চার্জেই ২০০ কিলোমিটার ছুটবে ইলেকট্রিক বাইক

by on মার্চ ১৫, ২০২২

 


জ্বালানি তেল ব্যবহারে নির্গত ধোঁয়া পৃথিবীর বায়ূমন্ডলে কার্বন মনো অক্সাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে পৃথিবীর চারদিকে আবৃত ওজোনস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পৃথিবীতে একদিকে সুর্যের ক্ষতিকর রশ্মি প্রবেশ করছে, অন্যদিকে পৃথিবী দিন দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পৃথিবীব্যাপী সকল যানবাহনই এখন বিদ্যুতচালিত করা হচ্ছে। বিশ্বের নামি দামি ব্রান্ডগুলো ইলেকট্রিক যানবাহন তৈরি শুরু করে দিয়েছে। এসব দিক বিবেচনা করে বাজারে এলো দ্রুতগতির ইলেকট্রিক বাইক।

আজ লঞ্চ হতে চলেছে ভারতের নতুন একটি ইলেকট্রিক বাইক, যার নাম ওবেন রোর। এটি ওবেন ইলেকট্রিক নামক সংস্থাটির প্রথম কোনও ইলেকট্রিক বাইক ভারতের মার্কেটে হাজির হতে চলেছে। রোর নামক এই বিদ্যুতচালিত মোটরসাইকেলটি একবার লঞ্চ হয়ে গেলে প্রতিযেগিতা হতে পারে রিভল্ট আরভি ৪০০ এবং টক্র ক্রাটোস এই দুই ইভির সঙ্গে।

সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই রোর নামক দু’চাকা গাড়িটির রেঞ্জ হতে চলেছ ২০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ একবার চার্জেই তা ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছুটতে পারবে। বাইকটির সর্বোচ্চ স্পিড প্রতি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। ওবেন রোর ইলেকট্রিক মোটরসাইকেলের ফিচার্স ও স্পেসিফিকেশনস সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য একনজরে দেখে নেওয়া যাক।

দেশি ইলেকট্রিক গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা ওবেন-এর প্রথম বাইকটির উল্লেখযোগ্য ফিচার্সের মধ্যে থাকছে একটি বড় ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোল, এলইডি ইন্ডিকেটরস, এলইডি হেডলাইটস, স্প্লিটজ়িরোস্টাইল সিট-সহ আরও একাধিক ফিচার্স। ফাইভ-স্পোক অ্যালয় হুইল দেওয়া হচ্ছে এই ইলেকট্রিক বাইকে। রেট্রো-মডার্ন ডিজ়াইনের এই বৈদ্যুতিক বাইকটি লুকের দিক থেকে অনবদ্য হতে চলেছে।

বাইকটির স্পেসিফিকেশনস সম্পর্কে দেশের এই ইভি ম্যানুফ্যাকচারার এখনও পর্যন্ত অফিসিয়ালি কিছুই ঘোষণা করেনি। তবে এর আগেই ওবেন জানিয়েছিল যে, এই রোর ই-বাইকের রেঞ্জ ২০০ কিলোমিটার এবং সর্বাধিক স্পিড ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। পাশাপাশি সংস্থার তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, প্রাথমিকভাবে ভারতে ওবেন রোর ইলেকট্রিক বাইকের একটাই মাত্র ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আসা হবে। এই ইলেকট্রিক বাইকের দাম সম্পর্কে সংস্থার তরফে অফিসিয়ালি কিছু না জানানো হলেও ভারতে ১.৩ লাখ টাকা থেকে ১.৫ লাখ টাকার মধ্যে লঞ্চ হতে পারে ওবেন রোর যা দিল্লিতে এক্স-শোরুম প্রাইস বলে জানা গিয়েছে।

ওবেন রোর ভারতে বেঙ্গালুরুতে ইলেকট্রনিক সিটির কাছাকাছি তাদের ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের সেটআপ করছে, যেখানে বছরে ৩ লাখ করে ইলেকট্রিক বাইক তৈরি করবে।

 

শনিবার, ১২ মার্চ, ২০২২

হোন্ডাবাইকের মতো দেখতে স্কুটার আনছে হোন্ডা

by on মার্চ ১২, ২০২২

 


ভ্যারিও ১৬০ স্পোর্টস স্কুটারের দুর্দান্ত লুকের একটি মোটোজিপি এডিশন নিয়ে এলো হোন্ডা । মাত্র কয়েকদিন আগেই ইন্দোনেশিয়ার বাজারে ভ্যারিও ১৬০ স্পোর্টস স্কুটার নিয়ে এসেছিল হোন্ডা। যদিও ভ্যারিও ১৬০ মোটোজিপি এডিশন আপাতত বিক্রয়ের জন্য উপলব্ধ হচ্ছে না বলে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ভ্যারিও ১৬০ মোটোজিপি এডিশনের মোট চারটি ইউনিট প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে হোন্ডা। তাদের মধ্যে দুটির মডেল নম্বর হলো ৯৩ এবং ৪৪। এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে স্কুটার হলেও দেখতে হবে বাইকের মতোই।

হোন্ডা ভ্যারিও ১৬০ মোটোজিপি এডিশনের ফিচার্স ও স্পেসিফিকেশনস স্ট্যান্ডার্ড কিন্তু ভ্যারিও ১৬০-এর মতো হুবহু এক।স্কুটারটির মডেল দুটি নির্দিষ্ট করে ব্যবহার করবেন মার্ক মারকিউজ এবং পল এসপারগারো। তারা হচ্ছেন ওই দলের দুই অফিসিয়াল রাইডার। বাকি দুটি ইউনিট ব্যবহার করবেন প্যাড্ডক ক্রিউ। প্রি-সিজন টেস্টেই এই স্কুটারগুলো ব্যবহার করবে হোন্ডা। তারপরে মান্দালিকায় আসল রেসিংয়ের অনুষ্ঠানটি হবে।

ভ্যারিও ১৬০ মডেলটিতে একটি মাসকিউলার ফ্রন্ট অ্যাপ্রন এবং স্কুটারের চতুর্দিকে অ্যাঙ্গুলার ও শার্প ডিজাইন দেওয়া হয়েছে। এদিকে কমলা এবং লাল রঙের মোটোজিপি ইউনিট দুটি একটা ভিন্ন স্তরে গিয়ে নিজেদের ভিজুয়াল অ্যাপিল যেন আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তবে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না, যদি এই ভ্যারিও ১৬০ মডেলের একটি মোটোজিপি এডিশন হোন্ডা নিয়ে আসে।

এই ভ্যারিও ১৬০ স্কুটারে দেওয়া হয়েছে ১৪ ইঞ্চির অ্যালয় হুইল। থাকছে ১৬০সিসির সিঙ্গেল সিলিন্ডার, লিকুইড কুলড ইঞ্জিন, যা সর্বোচ্চ ১৫বিএইচপি পাওয়ার এবং ১৩.৪এনএম পিক টর্ক দিতে সক্ষম। বেশ কিছু প্র্যাক্টিক্যাল ফিচার্সও রয়েছে এই স্কুটারে।

তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ১৮ লিটার আন্ডার-সিট স্টোরেজ স্পেস, একটি ইউএসবি চার্জিং পোর্ট এবং স্ট্যান্ডার্ড এবিএস। রয়েছে একটি ফুল-এলইডি লাইটিং সিস্টেম এবং সম্পূর্ণ ভাবে ডিজিটাল কনসোল যা গুচ্ছের ডেটা দেখাতে পারে।

স্কুটারটি উপলব্ধ হয়েছে দুটি ট্রিমে, সিবিএস এবং ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস। এদের মধ্যে সিবিএস মডেলের দাম ২৫ লাখ ৮০ হাজার আরপি বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। অন্য দিকে ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস মডেলে দাম ২৮ লাখ ৫০ হাজার আরপি।

 

এক চার্জে ৩০০ কিলোমিটার চলবে যে স্কুটার

by on মার্চ ১২, ২০২২

 


গাড়ির জগতে ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক যান যে পাকাপাকি স্থান দখল করছে তা বোঝার বাকি নেই কারো। একের পর এক বৈদ্যুতিক বাহন আসছে বাজারে। প্রতিটি নির্মাতা সংস্থাই তাদের দুই ও চার চাকার যানগুলোকে রূপান্তর করছে বৈদ্যুতিক বাহনে। কারণ আমাদের ভবিষ্যৎ যে বৈদ্যুতিক বাহন হতে চলেছে তা খুব ভালোভাবেই আঁচ করা যাচ্ছে।

গত বছর আগস্টে আত্মপ্রকাশ করেছিল সিম্পল ওয়ান। ই-স্কুটারটি একচার্জে ২৩৬ কিলোমিটার পাড়ি দিতে সক্ষম বলে দাবি সংস্থার। সিম্পল ওয়ান ই-স্কুটারের জন্য একটি অতিরিক্ত ১.৬ কিলোওয়াট আওয়ার ব্যাটারি প্যাকের ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।

ফলে আগের ব্যাটারির সঙ্গে সম্মিলিতভাবে এখন বৈদ্যুতিক স্কুটারটির রেঞ্জ ২৩৬ থেকে বেড়ে দাঁড়ালো ৩০০ কিলোমিটারের বেশি। অর্থাৎ দু’টি ব্যাটারি চার্জে পরিপূর্ণ থাকলে এই দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে। অতিরিক্ত ব্যাটারিটি সিটের নিচে থাকবে। যা লম্বা সফরের সময় ব্যবহারকারীকে ভরসা জোগাবে।

সিম্পল ওয়ান ইলেকট্রিক স্কুটারের মোটরটিও আপগ্রেড করা হয়েছে। সেটি এখন ৭২ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। যা এই সেগমেন্টের মধ্যে সর্বোচ্চ। সংস্থার দাবি, ই-স্কুটারে এরকম কম্যাক্ট আকার-আয়তনের মোটরে এর আগে এতটা টর্ক অর্জিত হয়নি।

পাশাপাশি নতুন মোটরের থার্মাল ম্যানেজমেন্ট ও পারফরম্যান্স যেমন উন্নীত হবে, তেমনই ই-স্কুটারের দক্ষতা ও পিকআপ পাওয়ার বাড়বে।

অতিরিক্ত ব্যাটারি যোগ হওয়ার ফলে সিম্পল ওয়ানের আপডেটেড দাম হবে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আগের মডেলটির দাম পড়বে মাত্র ১ লাখ ৯ হাজার। সংস্থার ওয়েবসাইটে মাত্র ১ হাজার ৯৪৭ টাকার বিনিময়ে বুকিং করতে পারবেন।

 

বুধবার, ৯ মার্চ, ২০২২

গ্রাহক চাহিদায় নয়া ইলেক্ট্রিক বাইক ভারতে! এক ক্লিকে জানুন ফিচার্স...

by on মার্চ ০৯, ২০২২


 Elecric Bikes এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে এবার ইলেকট্রিক বাইক নিয়ে হাজির হল আইকনিক মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারী সংস্থা Indian। জনপ্রিয় ই-বাইক প্রস্তুতকারী সংস্থা Super73 এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই ইলেকট্রিক বাইক প্রস্তুত করেছে মার্কিন কোম্পানিটি। নতুন এই ইলেকট্রিক বাইকের নাম eFTR Hooligan 1.2, যা চালাতে কোন মোটরসাইকেল লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না।

আগে eFTR ব্র্যান্ডের অধীনে ছোটদের ইলেকট্রিক ডার্ট বাইক বাজারে এনেছিল কোম্পানিটি। এবারSuper73 এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে একই ব্র্যান্ডের অধীনে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নতুন ইলেকট্রিক বাইক নিয়ে হাজির হয়েছে Indian।

Super73 এর S2 ইলেকট্রিক বাইকের সঙ্গে eFTR Hooligan এর অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। নতুন এই ইলেকট্রিক বাইক চালানোর অভিজ্ঞতা কেমন? দেখে নিন।

eFTR Hooligan এর সঙ্গে Super73 S2 এর অনেক পার্থক্য রয়েছে। Indian জানিয়েছে কোম্পানির ইলেকট্রিক বাইকে যুক্ত হয়েছে ইনভার্টেড ফ্রন্ট ফর্ক, মাঝারি উচ্চতার মোটরসাইকেলে স্টাইলের হ্যান্ডেলবার, অনন্য LED হেডলাইট, একটি উইন্ড ডিফ্লেকটর ও আরও অ্যাগ্রেসিভ টায়ার। eFTR Hooligan 1.2 থেকে বাদ গিয়েছে সামনে ও পিছনের ফেন্ডার। এছাড়াও ডাউনটিউবের নীচের দিকে ব্যাটারি রাখা হয়েছে। যা ইলেকট্রিক বাইকের ব্যালেন্সকে উন্নত করবে। Indian মোটরসাইকেল লুক দেওয়ার জন্য এই মোটরসাইকেলে ব্যবহার হয়েছে একটি সোনালী চেন।

তবে এই ইলেকট্রিক বাইকে উপস্থিত রয়েছে Super73 এর একাধিক চিহ্ন। যদিও কয়েকটি পরিবর্তনের ফলে তা অনেকটা Indian মোটরসাইকেলের মতো দেখতে হয়েছে।

তবে এই ইলেকট্রিক বাইকে Indian Motorcycle এর অন্যান্য প্রোডাক্টের মতো আওয়াজ পাওয়া যাবে না। eFTR Hooligan 1.2 তে ব্যবহার হয়েছে 20 ইঞ্চি টায়ার। এই বাইকে ব্যবহার হয়েছে 2,000W এর ইলেকট্রিক মোটর।


রবিবার, ৬ মার্চ, ২০২২

আড়াই কোটির Mercedes কিনলেন অভিনেতা

by on মার্চ ০৬, ২০২২

 


বাজারে সম্প্রতি লঞ্চ করেছে Mercedes-Maybach S580। তবে এরই মধ্যে গাড়িটিকে নিজের গ্যারেজে নিয়ে তুলে ফেলেছেন কবির সিং খ্যাত অভিনেতা শাহিদ কাপুর। 

শাহিদ কাপুরের গাড়ি প্রেম সম্পর্কে সকলেই ওয়াকিবহাল। বলিউড অভিনেতার গ্যারেজে রয়েছে একের পর এক বিলাসবহুল গাড়ি ও মোটরসাইকেল। সাম্প্রতিককালে একটি Mercedes-Benz S400 চড়তে দেখা গিয়েছে কবির সিং খ্যাত অভিনেতাকে। এবার তার গ্যারেজে প্রবেশ করেছে সম্প্রতি লঞ্চ হওয়া Mercedes-Maybach S580। প্রায় আড়াই কোটি টাকা দামের এই গাড়ির প্রাথমিক গ্রাহকদের অন্যতম তিনি। বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ আমদানি করে ভারতে এই গাড়ি তৈরি হচ্ছে।

কোম্পানির এই ফ্ল্যাগশিপ গাড়িতে রয়েছে 4.0 লিটার টুইন টার্বো V8 ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিনে সর্বোচ্চ 496 bhp শক্তি ও 700 Nm টর্ক পাওয়া যাবে। এই ইঞ্জিনের সঙ্গে রয়েছে EQ Boost 48 volt মাইল্ড হাইব্রিড সিস্টেম। যা এই গাড়ির প্রাথমিক অ্যাকসেলারেশন ও ও ফুয়েল এফিসিয়েন্সি বাড়াতে সাহায্য করবে। এই গাড়ির পিছনের চাকায় শক্তি পাঠানো হয়। থাকছে 9 স্পিড অটোমেটিক ট্রান্সমিশন। শাহিদের গ্যারেজে অন্যতম দামী গাড়ি এটাই। মাত্র 4.7 সেকেন্ডে 0-100 কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ছুটবে এই গাড়ি। Mercedes-Maybach S580 এর সর্বোচ্চ গতি 250 কিমি প্রতি ঘণ্টা।

নতুন এই গাড়ির অন্যতম আকর্ষণীয় ফিচার MBUX ইনফোটেনমেন্ট সিস্টেম। কেবিনে রয়েছে মোট পাঁচটি স্ক্রিন। কেবিনে রয়েছে নাপ্পা লেদার ফিনিশ ও Burmester সাউন্ড সিস্টেম। এটাই ভারতের বাজারে প্রথম গাড়ি যেখানে লেভেল 2 অটোনমাস ড্রাইভিং সাপোর্ট রয়েছে। এই ফিচারে স্টিয়ারিং অ্যাসিস্টের সঙ্গেই পাবেন ব্রেক অ্যাসিস্ট ফিচার।

তবে Mercedes-Maybach S580 শাহিদ কাপুরের গ্যারেজের একমাত্র বিলাসবহুল গাড়ি নয়। বলিউড অভিনেতার কাছে রয়েছে Jaguar XK-R, Land Rover Range Rover Vogue, Porsche Cayenne, Mercedes-Benz GL-Class, আগের জেনারেশনের S-Class ও Mercedes-Benz GLC Coupe।

এছাড়াও বছর দুই আগে বাবা পঙ্কজ কাপুরকে একটি Mercedes-Benz ML-Class উপহার দিয়েছিলেন তিনি। একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি ছাড়াও শাহিদ কাপুরের মোটর বাইকের কালেকশনও চোখ কপালে তোলার মতো। অভিনেতার কাছে রয়েছে Ducati Scrambler 1100, Harley-Davidson Fat Boy, Yamaha MT-01 সহ একাধিক মোটরসাইকেল।

সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

বাজাজের ৮ জনপ্রিয় বাইক, যেগুলি দেশজুড়ে আজও অত্যন্ত বিখ্যাত

by on ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২


 প্রবীণ শিল্পপতি রাহুল বাজাজ (Rahul Bajaj) প্রায়াত। ৮৩ বছর বয়সে শেষ আজ (শনিবার) নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি। ১৯৩৮ সালের ১০ জুন ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলে রাহুল বাজাজ। তবে পড়াশুনা মূলত দিল্লি ও মুম্বই থেকে। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশেও গিয়েছিলেন  রাহুল বাজাজ। বিদেশ থেকে ফিরে দেশে বাজাজ অটোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে শিখরে উঠে বাজাজ অটো গ্রুপ। ১৯৬৮ সালে রাহুল বাজাজ বাবাজ অটো (Bujaj Auto) এর এফেকটিভ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব সামলান। তাঁর নেতৃত্বে বাজাজ অটো মধ্যবিত্ত ভারতীয়র পরিবহনে আনে নতুন দিগন্ত। তাঁরই নেতৃত্বে বদলে গিয়েছিল ভারতের মধ্যবিত্তের পরিবহণ। যার প্রভাব পড়েছিল আর্থসামাজিক দিকেও। জেনে নেওয়া যাক ভারতে জনপ্রিয় বাজারের ৮ সেরা বাইক

Bajaj CT100

কম বাজেটে বাজাজ অটোর বাইক বলতে রয়েছে ) Bajaj Platina 110। যার প্রারম্ভিক মূল্য ৫৬,৪৮০ টাকার কাছাকাছি। এই বাইকের দুটি ভেরিয়েন্ট রয়েছে- প্লাটিনা 100 ইএস এবং প্লাটিনা 100 কেএস। Platina 100 KS এর দাম 52,915। বাইকটি একটি 102 cc, 4-স্ট্রোক, DTS-i, একক সিলিন্ডার ইঞ্জিন দ্বারা চালিত। এর মাইলেজ 75 থেকে 90 kmpl।
বাজাজ অটোর প্লাটিনা সিরিজও তার চমৎকার মাইলেজের জন্য সারা দেশে বিখ্যাত। এই বাইকটিতে 102cc ক্ষমতার একটি এয়ার-কুলড ইঞ্জিন রয়েছে, যা 7.9PS শক্তি এবং 8.3Nm টর্ক জেনারেট করে। সামনের দিকে টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পিছনের নাইট্রোক্স শক অবজারভার সাসপেনশন রাইডিং অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করে তুলেছে। কম দামে ভাল মাইলেজ এবং কম রক্ষণাবেক্ষণের কারণে লোকেরাও এই বাইকটিকে খুব পছন্দ করে। 

Bajaj CT 100 হল দেশের সবচেয়ে সস্তা বাইকের মধ্যে একটি এবং এটি দেশের একমাত্র বাইক যা 100 kmpl এর বেশি মাইলেজ দেয়। এতে, কোম্পানি নতুন BS6 স্ট্যান্ডার্ড 102cc ক্ষমতার এয়ার-কুলড, সিঙ্গেল সিলিন্ডার ফুয়েল ইনজেক্টেড ইঞ্জিন ব্যবহার করেছে যা 7.5bhp শক্তি এবং 8.34Nm টর্ক জেনারেট করে। এই ইঞ্জিনটি একটি 4 গতির গিয়ারবক্স সহ আসে। এর দাম শুরু ৪৯,১৫২ টাকা।

Bajaj Pulsar NS125

এই বাইকটি Pulsar NS 160-এর মতোই তৈরি করা হয়েছে, তাই আপনি এর ডিজাইনে এর আভাস পাবেন। ইঞ্জিনের কথা বলতে গেলে, বাইকটিতে একটি 125cc DTS-i, EI ইঞ্জিন রয়েছে যা 11.82 bhp শক্তি এবং 11Nm টর্ক জেনারেট করে। এই ইঞ্জিনটি 5 স্পিড গিয়ারবক্স দিয়ে সজ্জিত। আমরা আপনাকে বলি যে কোম্পানি এই ইঞ্জিনটিকে তাদের পালসার 125-এ অন্তর্ভুক্ত করেছে। ইঞ্জিনটি বেশ শক্তিশালী এবং হাইওয়েতেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদান করবে। নতুন পালসার NS125 এর কার্ব ওজন 144 কেজি। ভালো ব্রেকিংয়ের জন্য, এটি সামনের চাকায় 240mm ডিস্ক ব্রেক এবং পিছনে 130mm ড্রাম ব্রেক পায়। এর দৈর্ঘ্য 2012 মিমি, প্রস্থ 810 মিমি, উচ্চতা 1078 মিমি, হুইলবেস 1353 মিমি এবং গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স 179 মিমি। বাইকের দুটি টায়ারই 17 ইঞ্চি।

 
বাজাজের এই জনপ্রিয় বাইকটিও আপনি ১ লাখ টাকার কম বাজেটে কিনতে পারেন। Pulsar 220F এর মত এই বাইকটিতে সেমি-ফেয়ারিং রয়েছে। এটি একটি 178 cc এয়ার-কুলড, কার্বুরেটেড ইঞ্জিন দ্বারা চালিত। এই ইঞ্জিনটি 8,500 rpm-এ 17 bhp শক্তি এবং 6,500 rpm-এ 14 Nm পিক টর্ক জেনারেট করে৷ ইঞ্জিনটি একটি 5-স্পীড গিয়ারবক্সের সাথে মিলিত। ABS (অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম) সহ এই বাইকের দাম 94,790 টাকা।
বাজাজ অটো নতুন বাজাজ চেতক ইলেকট্রিক স্কুটারের সাথে বৈদ্যুতিক গতিশীলতা বিভাগে প্রবেশ করেছে। বাজাজ চেতক একটি 3.8 কিলোওয়াট বৈদ্যুতিক মোটর দ্বারা চালিত যা একক চার্জে 95 কিলোমিটার রেঞ্জ দাবি করে৷ Bajaj Chetak এর দাম শুরু হচ্ছে 1.42 লাখ (এক্স-শোরুমে)।
বাজাজ পালসার 150 ক্লাসিক জুন 2018 সালে লঞ্চ হয়েছিল। নতুন রঙে বাইকের সাইড প্যানেলের হেডলাইট ক্লাস্টার, ব্যাজ, গ্র্যাব হ্যান্ডেল, রিম টেপ এবং ফক্স ভেন্টে লাল বা সিলভার হাইলাইট দেখা যাবে। এটিতে একটি 149cc, এয়ার-কুলড, একক-সিলিন্ডার ইঞ্জিন রয়েছে। এই ইঞ্জিন 8000rpm-এ 14PS শক্তি এবং 6000rpm-এ 13.4Nm টর্ক জেনারেট করে। বাইকটিতে একটি 5-স্পীড গিয়ারবক্স রয়েছে। বাইকটির কন্ট্রোল করা হয়েছে অসাধারণ। এটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, সামনের চাকায় একটি 240mm ডিস্ক ব্রেক রয়েছে, যেখানে পিছনে একটি 130mm ড্রাম ব্রেক রয়েছে। যেহেতু এই বাইকটি 150 ক্লাসিকের নতুন কালার ভেরিয়েন্ট তাই এটিতে ABS সিস্টেম লাগানোর দরকার নেই।

 

 

Honda Vario 160 MotoGP Edition: স্কুটার কিন্তু ঠিক যেন বাইকের মতোই লুক! ভ্যারিও ১৬০ মোটোজিপি এডিশনের এক ঝলক দেখাল হন্ডা

by on ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২

 


ভ্যারিও ১৬০ মোটোজিপি এডিশনের মোট চারটি ইউনিট প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে হন্ডা। তাদের মধ্যে দুটির মডেল নম্বর হল ৯৩ এবং ৪৪। এই মডেল দুটি নির্দিষ্ট করে ব্যবহার করবেন মার্ক মারকিউজ় এবং পল এসপারগারো, যাঁরা ওই দলের দুই অফিসিয়াল রাইডার।

দিন দুয়েক আগেই ইন্দোনেশিয়ার মার্কেটের জন্য ভ্যারিও ১৬০ স্পোর্টস স্কুটার (Vario 160 Sports Scooter) নিয়ে এসেছিল হন্ডা (Honda)। আর এবার সেই হন্ডা ভ্যারিও ১৬০ স্পোর্টস স্কুটারের দুর্দান্ত লুকের একটি মোটোজিপি এডিশন প্রকাশ্যে নিয়ে এল এই অটোমেকার। যদিও সেই হন্ডা ভ্যারিও ১৬০ মোটোজিপি এডিশন (Honda Vario 160 MotoGP Edition) বিক্রয়ের জন্য আপাতত উপলব্ধ হচ্ছে না বলে সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে। এই হন্ডা ভ্যারিও ১৬০ মোটোজিপি এডিশনের ফিচার্স ও স্পেসিফিকেশনস স্ট্যান্ডার্ড হন্ডা ভ্যারিও ১৬০-এর মতো হুবহু এক হতে চলেছে।

ভ্যারিও ১৬০ মোটোজিপি এডিশনের মোট চারটি ইউনিট প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে হন্ডা। তাদের মধ্যে দুটির মডেল নম্বর হল ৯৩ এবং ৪৪। এই মডেল দুটি নির্দিষ্ট করে ব্যবহার করবেন মার্ক মারকিউজ় এবং পল এসপারগারো, যাঁরা ওই দলের দুই অফিসিয়াল রাইডার। বাকি দুটি ইউনিট ব্যবহার করবেন প্যাড্ডক ক্রিউ। প্রি-সিজন টেস্টেই এই স্কুটারগুলি ব্যবহার করবে হন্ডা। তারপরে আসল রেসিংয়ের অনুষ্ঠানটি হবে মান্দালিকায়।

হন্ডা ভ্যারিও ১৬০ মডেলটি লুকে অনবদ্য করা হয়েছে। রয়েছে একটি মাসকিউলার ফ্রন্ট অ্যাপ্রন এবং স্কুটারের চতুর্দিকে অ্যাঙ্গুলার ও শার্প ডিজাইন দেওয়া হয়েছে। এদিকে কমলা এবং লাল রঙের মোটোজিপি ইউনিট দুটি একটা ভিন্ন স্তরে গিয়ে নিজেদের ভিজ়ুয়াল অ্যাপিল যেন আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তবে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না, যদি এই ভ্যারিও ১৬০ মডেলের একটি মোটোজিপি এডিশন হন্ডা নিয়ে আসে।

এই ভ্যারিও ১৬০ স্কুটারে দেওয়া হয়েছে ১৪ ইঞ্চির অ্যালয় হুইল। থাকছে ১৬০সিসির সিঙ্গেল সিলিন্ডার, লিকুইড কুলড ইঞ্জিন, যা সর্বোচ্চ ১৫বিএইচপি পাওয়ার এবং ১৩.৪এনএম পিক টর্ক দিতে সক্ষম। বেশ কিছু প্র্যাক্টিক্যাল ফিচার্সও রয়েছে এই স্কুটারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ১৮ লিটার আন্ডার-সিট স্টোরেজ স্পেস, একটি ইউএসবি চার্জিং পোর্ট এবং স্ট্যান্ডার্ড এবিএস। রয়েছে একটি ফুল-এলইডি লাইটিং সিস্টেম এবং সম্পূর্ণ ভাবে ডিজিটাল কনসোল যা গুচ্ছের ডেটা দেখাতে পারে।

হন্ডা ভ্যারিও ১৬০ উপলব্ধ হয়েছে দুটি ট্রিমে – সিবিএস এবং ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস। এদের মধ্যে সিবিএস মডেলের দাম আরপি ২৫,৮০০,০০ বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১.৩৪ লাখ টাকা। অন্য দিকে ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস মডেলে দাম আরপি ২৮,৫০০,০০। ইতিমধ্যেই এই ভ্যারিও স্কুটারের আরও দুটি মডেল রয়েছে – ভ্যারিও ১২৫ এবং ভ্যারিও ১৫০। ইন্দোনেশিয়ার মার্কেটে এই দুই মডেলই অত্যন্ত জনপ্রিয়। সেই লাইন-আপেই এবার যুক্ত হল হন্ডা ভ্যারিও ১৬০।

মনে রাখতে হবে, হন্ডা ভ্যারিও ১৬০ বা হন্ডা ভ্যারিও ১৬০ মোটোজিপি এডিশন, কোনওটিরই ভারতে আসার কোনও সম্ভাবনা এখনও পর্যন্ত নেই।

 

 

রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার কাঁপাচ্ছে কোন পাঁচ স্কুটার? জানুন...

by on ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২


গ্রাহক-চাহিদায় দেশের প্রতিটি কোম্পানিই বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি করছেন। কিন্তু এই তালিকায় এগিয়ে আছে বেশ কিছু কোম্পানি। আবার যে সকল কোম্পানি বৈদ্যুতিক স্কুটার প্রস্তুত করে থাকে তাদের মধ্যেও অগ্রগণ্য বেশ কিছু কোম্পানি। আপনি যদি বৈদ্যুতিক স্কুটার কিনতে চান, সাধ এবং সাধ্য মেপে-- এই প্রতিবেদন থাকল আপনার জন্য।

ভারতে বৈদ্যুতিক স্কুটার প্রস্তুতকারী বাজারে যে নাম সবার উপরে সেটি হল হিরো ইলেক্ট্রিক ( Hero Electric)। এই কোম্পানির মার্কেট শেয়ার বর্তমানে 30%। 2021 সালে হিরো ইলেক্ট্রিক প্রায় 46,250 টি বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজারে বিক্রয় করেছে। ডিসেম্বর মাসে প্রায় 6,058-টি ইউনিট বাজারে বিক্রয় করা হয়েছে। বর্তমানে এই কোম্পানির বিক্রয়ের পরিমাণ প্রায় নয় লাখ। দাম 46 হাজার টাকা থেযে 74 হাজার টাকার মধ্যে।

2021 সালের হিসাব অনুযায়ী হিরোর পরেই ছিল Okinwa Autotech। এই কোম্পানি এই মূহুর্তে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদ্যুতিক স্কুটার ম্যানুফ্যাকচারার। এই কোম্পানির গত বছরে বিক্রির পরিমাণ প্রায় 29,945টি। ডিসেম্বরে বিক্রির পরিমাণ 6,098টি। এই কোম্পানির স্কুটারের দাম শুরু হয় 59 হাজার থেকে। শেষ হয়, 1 লাখ পাঁচ হাজার টাকায়।

বেঙ্গালুরু কেন্দ্রিক আথার এনার্জি ( Ather Energy) এই মূহুর্তে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম টু হুইলার ম্যানুফ্যাকচারার। আথার বর্তমান প্রায় 15,921 ইউনিট গাড়ি বিক্রয় করেছে। ভারতের মোট বিক্রি অনুযায়ী যা 11%- এর বেশি। গত ডিসেম্বরে বিক্রি হয়েছিল 1,810 ইউনিট। এই কোম্পানির স্কুটারের বিক্রয়মূল্য মোটামুটি 1.40 লাখ টাকা।  

দেশের অন্যতম বড় কোম্পানি Ampere Vehicle। গ্রেভস কটন কোম্পানির অন্তর্গত এই কোম্পানি গত বছর প্রায় 12,470টি ইউনিট স্কুটার বিক্রি করেছে। ডিসেম্বরে এই কোম্পানির বিক্রি প্রায় 3,343 ইউনিট। এদের বিখ্যাত স্কুটার হল Zeal। 

PuREnergy এমন একটি কোম্পানি যা পাঁচ বছর আগে ভারতে এসেছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে এই কোম্পানি বিরাট জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। 2021 সালে এই কোম্পানি প্রায় 11,039টি ইউনিট বাইক বিক্রি করেছে। শেষ ডিসেম্বরে এই কোম্পানি প্রায় 1,604টি ইউনিট বাইক বিক্রি করেছে। 

রবিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২২

৩০০ কোটি টাকা খরচ করে পুণেতে বাজাজের নতুন ইলেকট্রিক গাড়ির ইউনিট, ২০২২ সালের জুনেই বাজারে প্রথম মডেল

by on জানুয়ারি ০২, ২০২২

 


ইলেকট্রিক ভেহিকল নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করল বাজাজ অটো। পুণের আকুর্দিতে ৩০০ কোটি টাকা খরচ করে নতুন ইলেকট্রিক ভেহিকল ইউনিট তৈরি করছে এই বাইক প্রস্তুতকারক সংস্থা। বুধবারই সংস্থার তরফ থেকে এই ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি বছর সেখানে ৫ লাখ ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরি করা হবে বাজাজ অটোর তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে। দেশের বাজার তো বটেই এবং বিদেশের মার্কেটেও এক্সপোর্ট করা হবে বাজারের আসন্ন সব ইলেকট্রিক স্কুটার বা বাইক।

এই নতুন ইউনিটের প্রথম গাড়িটি ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যেই লঞ্চ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, পুণের এই আর্কুদির কারখানায় বহু দিন ধরে বাজাজের চেতক স্কুটারটি তৈরি হত। এই কারখানাই এক সময়ে বাজাজ চেতক স্কুটার কারখানা নামে বিখ্যাত হয়েছিল। বাজাজ অটোর ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজীব বাজাজ এই বিষয়ে বলছেন, “২০০১ সালের বাজাজ ২.০ এবং তার পরে ২০২১ সালে বাজাজ ৩.০ নিয়ে এসে এই পোর্টফোলিওর ভক্তদের মন জিততে পেরেছি বলেই আমাদের বিশ্বাস। বাজাজ চেতক ৩.০ চাড়াও ভারতের বাজারে আগামীতে একাধিক ইলেকট্রিক স্কুটার তৈরির পরিকল্পনা করছি।”

নতুন তিন চাকা ইলেকট্রিক স্কুটার নিয়ে এল ইয়ামাহা, দাম ও ফিচারে হার মানাবে একাধিক নামজাদা ই-স্কুটিকেও

by on জানুয়ারি ০২, ২০২২


 নতুন ইলেকট্রিক থ্রি হুইলার নিয়ে হাজির হল ইয়ামাহা। নতুন সেই তিন চাকা গাড়িটির নাম ইয়ামাহা ট্রিটাউন (Yamaha Tritown)। এই লেটেস্ট থ্রি হুইলারের সামনে দুটি চাকা এবং পিছনে একটি চাকা রয়েছে। সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই ইলেকট্রিক স্কুটার কন্ট্রোল করা যাবে চালকের ব্যালেন্সের উপরে ভিত্তি করে। চালক তাঁর সুবিধা মতো ডান দিক বা বাঁ দিকে সুইপ করে নিতে পারবেন। মাত্র ২ ঘণ্টা ব্যাটারি চার্জ করলেই ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছুটতে পারবে এই ইয়ামাহা ট্রিটাউন ইলেকট্রিক স্কুটারটি।

ইয়ামাহার এক কর্মকর্তা হিরোয়াকি আরাকি বলছেন, “নতুন তিন চাকার ইলেকট্রিক গাড়ি নিয়ে এসেছি আমরা। আপনি যদি এটি চালান তাহলে আপনাকে কিসসু করতে হবে না। শুধু স্কুটারের উপরে দাঁড়িয়ে থাকলেই হবে। ইলেকট্রিক কন্ট্রোল ছাড়া গাড়িটিতে এমনি কোনও বিশেষ ফাংশন নেই। চালকের সেন্স অফ ব্যালেন্সের উপরে ভিত্তি করেই মূলত নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। আবার যখন গাড়িটি থামাতে চাইবেন, মাটিতে পা রাখার দরকার হবে না। সুইচ টিপে দিলেই থেমে যাবে গাড়িটি। এটিই এই তিন চাকা ইলেকট্রিক গাড়ির অন্যতম বিশেষ বৈশিষ্ট্য।”

ট্রিটাউন স্কুটারের মসৃণ এবং স্টেবল অপারেশন একটি বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। এটি আসলে ইয়ামাহার জনপ্রিয় লিন মাল্টি হুইল বা LMW প্রযুক্তি যা মূলত সংস্থার মোটরসাইকেলে দেওয়া হয়ে থাকে। এই ট্রিটাউন ই-স্কুটারটিকে ইয়ামাহার তরফ থেকে বলা হচ্ছে ‘লাস্ট ওয়ান-মাইল মোবিলিটি’। এই গাড়িটি চালাতে চালক এক দিকে যেমন আরাম অনুভব করবেন, আর এক দিকে ঠিক তেমনই নিরাপদও বটে। প্রসঙ্গত, এই LMW প্রযুক্তি দেওয়া হয়েছে ইয়ামাহার লেটেস্ট মোটারবাইকে। এই প্রযুক্তি আত্মস্থ করেছে ট্রিটাউন। আর তার ফলেই আট থেকে আশি যে কারও জন্য এই স্কুটার রাইডিং সহজ থেকে সহজতর হতে পারে।

লেবেল