বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২২

টুইন সিলিন্ডার ইঞ্জিনের বাইক আনলো ডুকাটি

by on এপ্রিল ২৭, ২০২২

 


১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইতালির এই জনপ্রিয় ও ব্যয়বহুল মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড ডুকাটি। পরে ২০১২ সালে ভক্সওয়াগেন গ্রুপের একটি অংশ হিসেবে যুক্ত হয়। বিশ্বব্যাপী এই দুর্ধর্ষ মোটরসাইকেলের ব্র্যান্ডটির জনপ্রিয়তা আমাদের দেশেও কম নয়। সারাবছর গ্রাহকদের জন্য একের পর এক নতুন বাইক নিয়ে আসছে সংস্থাটি।

 

প্রিমিয়াম টু-হুইলার প্রস্তুতকারী সংস্থাটি ২০২১ সালে ভারতের বাজারে একাধিক সেগমেন্টের বাইক লঞ্চ করেছে। এবার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বাইক লঞ্চ করতে চলছে তারা। অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য ভারতের বাজারে লঞ্চ হলো ডুকাটির দুর্ধর্ষ বাইক মাল্টিস্ট্রাডা ভি২।

নতুন মডেলটি আগের তুলনায় অধিক আরামদায়ক রাইডিংয়ের প্রতিশ্রুতিসহ এসেছে। এটি হ্যান্ডলিং করা আরও সহজ। আবার টুইন সিলিন্ডার ইঞ্জিনসহ হাজির হয়েছে অ্যাডভেঞ্চার বাইক মাল্টিস্ট্রাডা ভি২। ভারতের বাজারে দুটি ভ্যারিয়েন্টে হাজির হয়েছে বাইকটি। একটি ভি২, অন্যটি ভি২এস।

মাল্টিস্ট্রাডা ভি৪ এর মতো এতে অ্যালুমিনিয়াম ডিস্ক ব্রেক, মিরর ও অ্যালয় হুইল দেওয়া হয়েছে। এতে উপস্থিত এলইডি হেডলাইট, টেললাইট এবং টার্ন ইন্ডিকেটর। এস ভার্সনটিতে ফুল এলইডি হেডল্যাম্প, ডুকাটি কর্নারিং লাইট এবং ডুকাটি কুইক শিফ্ট আপ অ্যান্ড ডাউন রয়েছে। 

আগের মডেলটির তুলনায় ২০২২ ভার্সনটির সার্বিক ওজন ৫ কেজি কম বলে দাবি সংস্থার। ব্ল্যাক রিমের সঙ্গে একটি ক্লাসিক ডুকাটি রেড পেইন্ট থিমসহ এসেছে মোটরসাইকেলটি। আবার হায়ার-স্পেক ভি২এস মডেলে ডিজাইন এলিমেন্টের মধ্যে একটি নতুন স্ট্রীট গ্রে লিভারি সহ ব্ল্যাক ফ্রেম এবং জিটি রেড রিমের সঙ্গে বাজারে পা রেখেছে।

নতুন প্রযুক্তি বলতে এতে যুক্ত হয়েছে চারটি রাইডিং মোড – স্পোর্টস, ট্যুরিং, আরবান এবং এনডুরো। টপ-স্পেক মডেলে একটি হাই রেজোলিউশন ৫-ইঞ্চি কালার টিএফটি ডিসপ্লে আছে। উল্লেখযোগ্য ফিচারের তালিকায় আরও আছে ডিটিসি এবিএস, ভেহিকেল হোল্ড কন্ট্রোল, হাই ভিসিবিলিটি এলসিডি।

ডুকাটি মাল্টিস্ট্রাডা ভি২ একটি ৯৩৭ সিসি টেস্টাস্ট্রেট্টা ইঞ্জিনে দৌড়বে। যা থেকে ৯,০০০ আরপিএম গতিতে ১১৩ বিএইচপি শক্তি এবং ৬,৭৫০ আরপিএম গতিতে ৯৪ এনএম টর্ক আউটপুট পাওয়া যাবে। ভারতীয় বাজারে ডুকাটি মাল্টিস্ট্রাডা ভি২-এর দাম ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ও ডুকাটি মাল্টিস্ট্রাডা ভি২এস-এর মূল্য ১৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

 

 

মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল, ২০২২

বিনামূল্যে স্কুটার দিচ্ছে গুগল

by on এপ্রিল ১২, ২০২২

 


কর্মীদের অফিসে ফেরাতে বিনামূল্যে স্কুটার দিচ্ছে গুগল। সংস্থাটি বে এরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য স্থানে তার কর্মীদের এই বৈদ্যুতিক স্কুটার দেবে বলে জানা গেছে। এরিমধ্যে গুগল কর্মীদের ই-স্কুটার সরবরাহ করতে ইলেকট্রিক টু-হুইলার নির্মাতা উনাগির সাথে চুক্তিও করেছে।

ইউএস মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো কর্মী যদি মাসে অন্তত ৯ দিন জন্য অফিসে আসে, তবেই সে স্কুটার পাবে। টেক জায়ান্ট প্রতিটি ইউনিটের জন্য ৫০ মার্কিন ডলার রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রতিটি কর্মচারীর জন্য মাসিক ৪৪.১০ মার্কিন ডালার মাসিক ফি প্রদান করবে। তবে এই ইলেকট্রিক স্কুটারটি প্রচলিত ব্যাটারি চালিত টু-হুইলারের মতো নয়, উনাগি মডেল ওয়ান।

উনাগি মডেল ওয়ান দুটি বৈদ্যুতিক মোটর দ্বারা চালিত। এটি ১.৩ পিএইচ শক্তি উৎপন্ন করে এবং ৩২ এনএম টর্ক সরবরাহ করে। এটি ৩০ কেএমপিএইচ এর সর্বোচ্চ গতিতে চলতে পারে। এছাড়া এটিকে একবার চার্জে ২৫ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত চালানো যাবে। এই বৈদ্যুতিক স্কুটারগুলোর প্রবর্তন কর্মীদের দীর্ঘ কাজের সময়সূচীর পরে কাজে ফিরে আসার একটি অভিনব উপায় হতে পারে।

ডেভিড হাইম্যান, প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও, উনাগি, বলেছেন, ‘গুগল জানে কর্মীরা সত্যিই বাড়ি থেকে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেছে। তাই তাদের ফেরে আসার অভিজ্ঞতা আরও আনন্দময় করতে এই আয়োজন।

বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২

জলে-স্থলে চলবে বাবা-ছেলের তৈরি গাড়ি

by on এপ্রিল ০৭, ২০২২

 


২০২০-২০২১ সালের বেশিরভাগ সময় আমাদের কেটেছে লকডাউনে ঘরে বসে। এই সময়টাতে সবাই ঘরে থেকে বিরক্ত হয়েছেন। তবে কেউ কেউ এই অফুরন্ত অবসরকে কাজে লাগিয়েছেন বিভিন্নভাবে। যুক্তরাজ্যেরের বাসিন্দা এক বাবা তার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তৈরি করে ফেলেছেন এক আজব গাড়ি।

যেটি একই সঙ্গে চলবে ডাঙায়, আবার জলেও। অর্থাৎ পিচঢালা রাস্তায় দ্রুত গতিতে ছোটানোর পাশাপাশি এই গাড়ি নিয়ে আপনি যে কোনো সময় জল সফরেও যেতে পারবেন। এক বাবা-ছেলের জুটি একটি ফোর্ড ফিয়েস্টা গাড়ির খোলনলচে বদলে এমনটাই রূপ দিয়েছেন।

সম্প্রতি ইউটিউবে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, একটি সেভেন্থ জেনারেশন ফোর্ড ফিয়েস্টা গাড়িকে একদম নতুন লুক দেওয়া হয়েছে। উভচর প্রাণী অর্থাৎ যারা জলে, স্থলে দু’জায়গাতেই বাস করতে পারে, তাদের মতোই এই গাড়িও জল-স্থল, দু’জায়গাতেই চলতে পারে। একটি নৌকার বিভিন্ন ফিচারও এখন রয়েছে ওই ফোর্ড ফিয়েস্টা গাড়ির মডেলে। এই গাড়ি তৈরি হয়েছে ইউনাইটেড কিংডমে।

গাড়ির উপরের অংশে ডিজাইন একই রকম রয়েছে। সেভেন্থ জেনারেশন ফোর্ড ফিয়েস্টা দেখতে যেমন হয়, গাড়ির উপরের অংশ সেই রকমই দেখতে। তবে বড়সড় পরিবর্তন হয়েছে গাড়ির নিচের ভাগে। গাড়ির নিচের অংশ দেখতে অনেকটা নৌকার মতো। ফাইবার গ্লাস দিয়ে তৈরি হয়েছে এই নৌকার মতো অংশটুকু। আর টায়ার নির্মাণ করা হয়েছে স্টক ফিয়েস্টা অ্যালয় দিয়ে।

শুধু গাড়ির ডিজাইনে নয়, প্রযুক্তিগতভাবেও কিছু নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে এই গাড়িতে। গাড়ির পিছনের সিটের পিছনের অংশে রাখা গিয়েছে ইঞ্জিন। আগের থেকে পরিবর্তন হয়েছে ইঞ্জিনের জায়গার। আর এগজস্ট অর্থাৎ ধোঁয়া বেরনোর অংশটি উপরের দিকে তুলে আনা হয়েছে।

হুইলবেসের আয়তন বাড়ানো হয়েছে এবং মাঝে একটা ইঞ্জিন বসানো হয়েছে। খুলে নেওয়া হয়েছে গাড়ির ছাদ। ফলে আপনি রাস্তায় থাকুন কিংবা পানিতে, এই গাড়িতে বসলেই খোলা আকাশ দেখতে পাবেন। সেই সঙ্গে পাবেন অফুরন্ত বাতাস।

পানির মধ্যে চলার জন্য এই আধুনিক গাড়িতে রয়েছে প্রপেলার। একটি ট্রান্সফার কেসের সাহায্যে এই প্রপেলারের মধ্যে শক্তি সঞ্চালিত হয়। প্রপেলার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রয়েছে প্যাডেল। এছাড়াও স্টিয়ারিং হুইল অনুযায়ী ডানদিক এবং বাম দিকে ঘোরানো হবে রাডার্স। পানিতে এই গাড়ির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৩ কিলোমিটার।

এই আজব গাড়ির ভিডিও রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যায় ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্রশংসায় ভাসছেন বাবা-ছেলে জুটি। অনেকেই তাদের পুরনো গাড়ি এভাবে পরিবর্তন করার জন্য অনুরোধও জানিয়েছেন তাদের।

 

রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২

বাইকারদের দুর্ঘটনা রোধে আসছে সুজুকির নতুন প্রযুক্তি

by on এপ্রিল ০৩, ২০২২

 


সবকিছুকে ছাড়িয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। জীবন না থাকলে কোনো কিছুরই মূল্য নেই। সেই মূল্যবান জীবন অনেক সময় নাই হয়ে যায় বাইক দুর্ঘটনায়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জাপানি প্রতিষ্ঠান সুজুকি তাদের বাইকে নিয়ে আসতে যাচ্ছে নতুন প্রযুক্তি।

প্রযুক্তিটি হলো বিপদের বার্তা পাঠানোর একটি ডিভাইস। পথে দুর্ঘটনা ঘটলে চালকের পরিবারের কাছে বার্তা পাঠাবে ডিভাইসটি। সিস্টেমটির নাম এসওএস। সুজুকির এসওএস সিস্টেমের লক্ষ্য হল দুর্ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে আচ করে সেই অনুযায়ী বার্তা পাঠানো।

বাইকারের শরীরের সাথে সংযুক্ত সেন্সরের মাধ্যমে তার আঘাতের পরিমাণ সম্পর্কেও আন্দাজ করবে ডিভাইসটি। চালক দাঁড়িয়ে রয়েছেন নাকি মাটিতে শুয়ে রয়েছেন তার ওপর নির্ভর করবে সঙ্কেতের ধরন। মনে করা হচ্ছে, বাজারে আসতে যাওয়া সুজুকির স্পেশাল বাইক হায়াবুসায় এ ব্যবস্থা থাকতে পারে।

বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২

বাইক কিনতে ঠেলাগাড়িতে করে আনলেন আড়াই লাখ কয়েন

by on মার্চ ৩০, ২০২২

 


বাইক কিনবেন বলে তিন বছর ধরে কয়েন জমাচ্ছিলেন এক তরুণ। কয়েন জমতে জমতে হয়েছে আড়াই লাখ। এবার বাইক কেনার পালা। কয়েনগুলো কয়েকটি বস্তায় ভরে ঠেলাগাড়িতে চাপালেন। রওয়ানা দিলেন বাইকের শো-রুমের দিকে। শো-রুমের কর্মীরা বস্তায় ভরা এত কয়েন আগে কখনো দেখেননি। তাদের চোখ কপালে উঠল যেনো! অগুণিত কয়েন গুণে নিয়ে বাইক বুঝিয়ে দিতে হবে। এ যেনো মস্ত বড় এক হ্যাপা! অবাক লাগলেও ঘটনা সত্য।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুতে। সালেমের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম ভি বুপাঠি। ২৯ বছর বয়সি বুপাঠি পেশায় একজন কম্পিউটার অপারেটর। তার নিজস্ব একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে। ইউটিউব চ্যানেল থেকে তার যা আয় হয়েছিল, তা দিয়েই বাজাজ ডমিনার ৪০০ মডেলের বাইক কিনলেন তিনি।

এক রুপির এত কয়েন কোথায় পেলেন তিনি? উত্তরে বুপাঠি জানিয়েছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে তার টাকা খুচরা করে নিতেন তিনি। মন্দির, চায়ের দোকান, হোটেল- কোনও জায়গাই বাদ পড়েনি। শেষমেশ ২ লাখ ৬০ হাজার রুপি জমিয়ে বাইকের দোকানে হাজির হন সেই যুবক। তার সঙ্গে ছিলেন চার বন্ধু।

কিন্তু এত কয়েন গোনা কি সহজ কথা? সেই কথা ভেবেই দোকানের ম্যানেজার প্রথমে সাফ জানিয়ে দেন, এইভাবে বাইক কেনা যাবে না। কিন্তু বুপাঠির ইচ্ছার কথা ভেবে রাজি হন তিনি। শুরু হয় পাহাড়প্রমাণ কয়েন গোনার কাজ। দোকানের পাঁচ কর্মী এবং বুপাঠি ও তার বন্ধুরা সকলে মিলে কয়েন গুণতে শুরু করেন। রাত ৯ টায় শেষ হয় সেই কয়েন গোনা। ১০ ঘণ্টা পরে বুপাঠির হাতে আসে সেই বহু প্রতীক্ষিত বাইক।

নতুন বাইক পেয়ে উৎল্লাসিত তরুণ। তার ভাষ্য, ‘তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে ইচ্ছে ছিল এই বাইক কেনার। কিন্তু সেই সময়ে এত পয়সা ছিল না আমার কাছে। তাই এত দিন ধরে কয়েন জমিয়ে বাইক কিনেছি।”

বাইকের দোকানের ম্যানেজার জানিয়েছেন, ২ হাজার টাকার নোটে যদি ১ লক্ষ রুপি ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র রুপি গোনার জন্য আলাদা করে দিতে হয় ১৪০ টাকা। ২ লাখ ৬০ হাজার কয়েন দিলে ভাবুন ব্যাংক কী বলবে?

কিন্তু গন্ধমাদন পাহাড়সম এক রুপির কয়েন নিয়ে সেই দোকানে যুবকটি এলেও তাকে বিমুখ করেননি সংশ্লিষ্ট দোকানের ম্যানেজার। যুবকটির বাইকের প্রতি ভালোবাসাই মোহিত করেছিল সেই ম্যানেজারকে।

 

শনিবার, ২৬ মার্চ, ২০২২

৫-মিনিটে-ফুল-চার্জ-হবে-স্ক

by on মার্চ ২৬, ২০২২

 


ওলা স্কুটারের জগতে জনপ্রিয় এক নাম। সমানতালে ওলার বৈদ্যুতিক স্কুটারও নজর কেড়েছে গ্রাহকদের। এবার ইজরায়েলের ব্যাটারি টেকনোলজি সংস্থা স্টোরডট-এর সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের ঘোষণা করেছে ওলা ইলেকট্রিক।

এক্সট্রিম ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি বা এক্সএফসি প্রযুক্তির পথপ্রদর্শক হলো ইজরায়েলের এই সংস্থাটি। এই পার্টনারশিপের ফলেই স্টোরডটের এক্সএফসি ব্যাটারি প্রযুক্তির অ্যাকসেস পাবে ওলা ইলেকট্রিক। ফলে সংস্থার ইলেকট্রিক স্কুটার মাত্র পাঁচ মিনিটেই ০ থেকে ১০০ শতাংশ চার্জ হয়ে যাবে।

ওলা ইলেকট্রিক ভারতের বাজারের জন্য স্টোরডট-এর ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইলেকট্রিক স্কুটার বা বাইকের জন্য ব্যাটারি তৈরি করবে।

অ্যাডভান্সড সেল টেকনোলজি অর্থাৎ ব্যাটারি প্রযুক্তি ও নতুন এনার্জি সিস্টেমের উপরে ওলা ইলেকট্রিকের রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের অঙ্গ হলো স্টোরডট-এর সঙ্গে এই স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ। এই ইভি মেকার একটি গিগাফ্যাক্টরিও সেট আপ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। যেখানে ব্যাটারি সেল তৈরি করা হবে।

ওলা এস১ এবং ওলা এস১ প্রো এই দুই ইলেকট্রিক স্কুটারের বিপুল পরিমাণ ব্যাটারির চাহিদা পূরণ করতেই সেই কারখানার তৈরি হবে ব্যাটারি।

এক্সট্রিম ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির পথপ্রদর্শক স্টোরডট, যারা ৫ মিনিটেই ইলেকট্রিক ভেহিকলের ব্যাটারি সম্পূর্ণ ভাবে চার্জ আপ করতে পারে। দীর্ঘ দিন ধরেই তারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

ওলা ইলেকট্রিকের সিইও ভাবিশ আগরওয়াল বলছেন, ‘স্টোরডট-এর সঙ্গে আমাদের এই পার্টনারশিপ পুরো দেশের ইলেকট্রিক ভেহিকল সেগমেন্টের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ভাবিশ যোগ করলেন, ইলেকট্রিক ভেহিকলের ভবিষ্যত এ দেশে আরও উন্নত করা যেতে পারে। যখন ব্যাটারির ফাস্ট চার্জিংয়ে বন্দোবস্ত করা যাবে।’

 

শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০২২

উড়ন্ত ই-কার আনবে সুজুকি

by on মার্চ ২৫, ২০২২


 বিশ্ববিখ্যাত টু-হুইলার ও গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সুজুকির ই-স্কুটি ও গাড়ি এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। টু-হুইলার প্রেমীদের কাছে সুজুকি এক বিশ্বস্ততার নাম। তবে এবার শুধু রাস্তায় চলা নয় আনতে চলেছে উড়ন্ত ই-কার।

সম্প্রতি জাপানি বহুজাতিক টু-হুইলার ও গাড়ি প্রস্তুতকারী সুজুকি মোটর ফ্লাইং কার তৈরির সংস্থা স্কাইড্রাইভ ইনকর্পোরেশনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা ঘোষণা করলো।

যৌথভাবে তারা সোজা হয়ে নামতে ও উড়তে পারে এমন উডুক্কু গাড়ির উন্নয়নকল্পে কাজ করবে। দুটি সংস্থার পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে, তাদের এই গবেষণা ভারতের বাজারকে কেন্দ্র করেই চলবে।

বর্তমানে স্কাইড্রাইভ ইনকর্পোরেশন দুই আসন বিশিষ্ট বিদ্যুৎ চালিত উড়ন্ত যানের উপর কাজ করছে। এটি সাধারণ ক্রেতাদের জন্য গণৎপাদনেরও পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। তবে এই প্রকল্পে সুজুকি অংশগ্রহণ করবে কি না, তা এখনো জানায়নি কেউই।

২০২৫ সালে ওসাকা-তে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড এক্সপো প্রদর্শনীতে ফ্লাইং কারটি লঞ্চ করার লক্ষ্য নিয়েছে স্কাইড্রাইভ ইনকর্পোরেশন। অন্যদিকে সুজুকি বৈদ্যুতিক গাড়ি ও ব্যাটারি উৎপাদনের জন্য ভারতে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।

সুজুকির দাবি বিগত বছরগুলোর তুলনায় ২০২১ সালে ভারতের বাজারে বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিক্রি তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার ২০৭০ সালের মধ্যে ভারতে কার্বনের নির্গমন শূন্য করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার।

তাই ভবিষ্যতে ভারতের বাজারে বৈদ্যুতিক গাড়ির উত্থানকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা বাড়াতেই এই বিনিয়োগ বলে জানিয়েছে সুজুকি।